Stage Whisper & other poems

Pranabendu Dasgupta (1937-2007) was a Bangla poet, art critic and a professor of comparative literature at Jadavpur University, Calcutta. He had a PhD in English from the University of Minnesota. His published collections of poetry include এক ঋতু/One Season (1976), অন্ধ প্রাণ, জাগো/Blind Soul, Awake (1984), শ্রেষ্ট কবিতা/Selected Poems (1987), এখন গুজব নেই /No Rumour Now (1991). Poems translated by Brinda Bose. She teaches English literature at Jawaharlal Nehru University, New Delhi.

I am Here

I am here with you
You just cannot see me,
Once in a while one must enter a cavern
like through the ornate gates of those temples down South —
That is, I
need a fugacious self-absorption
That is, I
want a fleeting disappearance,
But yet your letters,
your newspapers
I regularly read.
From afar
I am touching you all still.
One day like a flying insect I will indeed
dart into the room.



Being Well

Having given you back
I am well.

Now everything sees me acquiescent, I must be acquiescent.
As if blind, I stumble forward, touching this, touching that
to mark a path.
On every side there is strangeness.
Flames, flames there are – sometimes visible, sometimes hidden.
Having given you back,
For now, I am fine.
Within, there is much that plummets –
Dead leaves, braided moonlight from behind the trees,
and pirouetting shadows, and the hiss of steamer wheels, sssh sssh…
I go, I go, I go they say
Even those who hesitate, some quandary
in their glance.
Having given you back I am well.
How well am I?


On the Move

With life I
am tying myself taut, now
even you can fathom
my game.
The boys are moving, see
and with morning sunlight in its eyes
time is on the move.
The worn tree that has grown in the courtyard
Have you known its touch, I wonder!
Holding her breasts in her hands, holding her two breasts in her hands
on the far side of the courtyard the girl who
stood alone,
the sinews of even her heart learnt how to play the game…
Take note, take note, with all of the sunshine,
All lovers, time is on the move,
And so am I, moving.



On one’s own one may travel for a bit.
then tiredness sets in.
One thinks, how very lovely it would be to have someone beside.
Is that when from the navel
life surges, curls, in the void?
When infinity stirs slightly at the strike of a wave?
At midnight, one by one the leaves begin to drop,
Like a placid child, the rickshaw-puller sleeps
in the dust.
The moon rises, as it has ever risen,
The sorrow of a solitary soul
only the streetdog apprehends, and whimpers.



Instead of Grief

If sorrow is large
one can live with it.
But all these pinpricks of small miseries
are mere irritations, nothing more,
they gift me nothing, they only do me harm —
These past five-seven days about people, the world
I have been unable to think,
In the garden, the spade slips from my hand.
Dejection, grow bigger,
flood me, inundate all of me —
from somewhere inside of you I will yet retrieve
the rain-drenched sky,
Waking at midnight, stooping over the writing table
that I am still ready, I will let you know.
Instead of grief these pinpricks of wretchedness
merely peeve me, wear me out, nothing more than that.

I was Born
I was born; I am still alive;
Other than this, all is sunshine, all frost —
From the parade into darkness enters the lunatic,
into the garden, the flea.
I was born;
There was a birth;
I am still living.
How Much Longer

How many more days will you stay like this,
think about it.

The world is progressing, the newspapers
announce this.
The world is progressing – one or two friends come by
and whisper this in the ear.
Two pariah kites from the coconut tree branch
suddenly dive into oblivion,
are they also progressing?
You have died so many times in your life,
One more time you will surely in the furnace burn –
then what is there to fear?
Go, blood dripping, dripping,
go walking through the streets,
go walking – as far as you can.
How much longer will you stay inside this room?

Stage Whisper

Take all the insults and reverse them —
make flowers, make clouds,
make multihued fire balloons dance in the sky,
So, live.
If not, life will swallow you up,
Alone in the hands of humanity you will be in tatters,
There is still time, think of survival,
The way nature can, in such a way all your humiliation
make into flowers leaves vines and into the cosmos scatter.


This Tree

This tree, they all started felling together.
Once, twice, thrice… umpteen times,
axe after axe, blow upon blow —
while here, some bark skin fell off,
from the inner-branches birds fled their nests, flying around overhead,
with axe blows every inch of the forest resounded. 

But even after a whole day’s felling
when the tree stood unmoved upon the ground,
Then sweat-drenched from brow to feet, they said
This tree is not really here, do you get it, hey,
This whole tree business has all along been a lie.



আমি আছি

আমি তো সঙ্গেই আছি 
তোমরা শুধু দেখতে পার না,
মাঝে মাঝে গর্তের ভেতরে যেতে হয়,
মন্দিরের আগে যে-রকম গোপুরম–
অর্থাৎ আমার
সাময়িক নিবিষ্টতা প্রয়োজন
অর্থাৎ আমার
কিছুদিন অন্তর্ধান চাই,
তবু তোমাদের চিঠি,
আমি নিয়মিত পড়ি ।
আমি তোমাদের
দূর থেকে ছুঁয়ে আছি ।
একদিন পতঙ্গের মতো ঠিক উড়ে যাব
ঘরের ভেতরে ।।

ভালো থাকা

তোমাকে ফেরৎ দিয়ে
ভালো আছি ।
এখন সমস্ত কিছু মেনে চলি, মেনে চলতে হয় ।
এখন অন্ধের মতো এটা ওটা ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিয়ে
রাস্তা ঠাহর করি ।
চারপাশের নানারকমের সব ভৌতিকতা আছে ।
আগুন, আগুন আছে– কখনও প্রকাশ্যভাবে, কখনও গোপনে ।
তোমাকে ফেরৎ দিয়ে,
আপাতত, খুব ভালো আছি ।
বুকে ক্রমশই সব ঝরে পড়ে–
মরা পাতা, গাছের আড়াল থেকে চাঁদের বিনুনি,
আর ঘূর্ণ্যমান ছায়া, আর স্টিমার চাকার সর্ সর্…
যাই, যাই, যাই বলে
যারা তবু কিছুটা দ্বিধায় থেমে থাকে,
তাদের চাহনি ।
তোমাকে ফেরৎ দিয়ে ভালো আছি ।
কতো ভালো আছি ?


আমি জীবনের সঙ্গে
খুব টেনে বাঁধছি, এখন
তুমিও আমার খেলা
বুঝে নিতে পার ।
ছেলেরা চলেছে, দ্যাখ,
সকালবেলার রৌদ্র চোখে নিয়ে
সময় চলেছে ।
যে-কৃশ-শরীর গাছ উঠানে বেড়েছে
তার ঠাম বুঝতে পারো কি !
দুই স্তন হাতে নিয়ে, দুই স্তন হাতে নিয়ে
উঠোন পারের ঐ মেয়েটি যে
একলা দাঁড়াল,
তারও বুকের সমস্ত দাপ খেলতে জেনেছে…
টুকে নাও, টুকে নাও, সমস্ত রৌদ্র নিয়ে
সমস্ত প্রেমিক নিয়ে
সময় চলেছে,
আর আমিও চলেছি ।।


একা একা কিছুদূর যাওয়া যায়।
তারপর খুব ক্লান্তি লাগে।
মনে হয়, পাশে কেউ থাকলে ভালো হতো।
তখনই কি নাভিমূল থেকে
সৃষ্টি লতিয়ে ওঠে শূন্যের ভিতর?
অনন্তশয়ন একটু দুলে ওঠে ঢেউয়ের আঘাতে?

মাঝরাত্রে, একে একে পাতা ঝ’রে পড়ে,
শিশুর মতন শান্ত, রিকশার চালক থাকে
ধুলোয় ঘুমিয়ে।
চাঁদ ওঠে, যেরকম উঠেছিলো চিরদিন,
একা মানুষের দু:খ
রাস্তার কুকুর শুধু বুঝতে পেরে, শব্দ ক’রে ওঠে।।

দুঃখের বদলে

দুঃখ আরো বড় হলে
তাকে নিয়ে ঘর করা যায়।
কিন্তু এইসব ছোট ছোট যন্ত্রণার ছুঁচ
শুধুই বিরক্ত করে তার বেশি নয়,
আমাকে কিছুই দেয় না, আমার শুধুই ক্ষতি করে —
পাঁচ-সাতদিন আর মানুষ, পৃথিবী নিয়ে
ভাবতে পারি না,
বাগান করতে গেলে, হাত থেকে খুরপি খসে যায়।

দুঃখ, আরো বড় হও,
আমাকে প্লাবিত করো, আমার সর্বস্ব ঢেকে দাও—
আমি ঠিক তোমার ভেতর থেকে
বৃষ্টির আকাশ খুঁজে নেব,
মাঝরাত্রে জেগে উঠে, লেখার টেবিলে ঝুঁকে পড়ে
আমি যে তখনো তৈরি, সেই কথা তোমাকে জানাব।

দুঃখের বদলে শুধু ছোট ছোট যন্ত্রণার ছুঁচ
শুধুই বিরক্ত করে, ক্লান্ত করে, তার বেশি নয়।।


জন্মেছিলাম; এখনো বেঁচে আছি;
এছাড়া সবই রৌদ্র, সবই তুষার-
মিছিল থেকে অন্ধকারে বেরিয়ে আসে পাগল,
বাগানে, নীল মাছি।
জন্ম হ’য়েছিলো;
এখনো বেঁচে আছি।।

আর কতদিন

তুমি কতদিন আর এইভাবে থাকবে,

ভেবে দ্যাখো।

পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে,সমস্ত কাগজে
লেখা থাকে।
পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে- দু’একজন বন্ধু এসে
ফিসফিস করে বলে যায়।
দুটো চিল নারকোলের ডাল থেকে
হঠাৎ শূন্যে লাফ দেয়,
তারাও কি এগিয়ে চলেছে?
তুমি তো অনেকবার মরেছ জীবনে,
আরও একবার নয় চুল্লীর ভেতরে পুড়ে যাবে-
তবে ভয় কেন?
যাও,রক্ত ঝরিয়ে ঝরিয়ে
রাস্তার উপর দিয়ে হেঁটে যাও,
হেঁটে যাও- যতদূরে পারো।

আর কতদিন এই ঘরের ভেতরে থেকে যাবে?


সব অপমান তুমি পালটে নাও-
ফুল করো,মেঘ করো,
রঙিন ফানুস করে আকাশে নাচাও,
এইভাবে বাঁচো।
নাহলে জীবন এসে গ্রাস করে নেবে,
মানুষজনের হাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে একা,
এখনো সময় থাকতে বেঁচে থাকবার কথা ভাবো,
যেভাবে প্রকৃতি পারে,সেইভাবে সব অপমান
ফুল লতা পাতা করে নিসর্গে ছড়াও।


গাছটাকে ওরা সবাই মিলে কাটতে শুরু করল।
একবার, দুবার, তিনবার… অসংখ্যবার,
কুড়োলের পর কুড়োল, আঘাতের পর আঘাত–
এদিকে, ছাল-বাকল খানিকটা খসে পড়ল,
ভেতর-ডালের পাখিগুলো বাসা ছেড়ে, উড়তে লাগল উপরে,
কুঠারের শব্দে সমস্ত অরণ্য গমগম করে উঠল।

কিন্তু সারাদিন কাটবার পরও
গাছটা যখন অটল দাঁড়িয়ে রইল মাটির ওপর,
তখন ওরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বললঃ
গাছটা আসলে নেই, বুঝলে হে,
গাছের ব্যাপারটাই আগাগোড়া মিথ্যে। 




Subscribe to RAIOT via Email

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 15.7K other subscribers
Pranabendu Dasgupta Written by:

Pranabendu Dasgupta (1937-2007) was a Bangla poet, art critic and a professor of comparative literature at Jadavpur University, Calcutta. He had a PhD in English from the University of Minnesota. His published collections of poetry include এক ঋতু/One Season (1976), অন্ধ প্রাণ, জাগো/Blind Soul, Awake (1984), শ্রেষ্ট কবিতা/Selected Poems (1987), এখন গুজব নেই /No Rumour Now (1991).

Be First to Comment

Leave a Reply